হাওজা নিউজ এজেন্সি: তাহিরা রাহবারের মতে, আরবাঈন প্রতিরোধ, স্বাধীনচেতা মনোভাব এবং সত্যের প্রতি অটল আনুগত্যের প্রতীক। এটি ব্যক্তি ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের শক্তিশালী অনুপ্রেরণা জোগায়।
তিনি আরও বলেন, কারবালার পথে যাত্রা কেবল পবিত্র ভূমিতে পদার্পণ নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, بصيرت (গভীর দৃষ্টি) বৃদ্ধি এবং বেলায়েতের আনুগত্যকে দৃঢ় করার এক প্রক্রিয়া।
আশুরার শিক্ষা ও প্রজন্মের প্রতিফলন
তাহিরা রাহবার উল্লেখ করেন, ইমাম হুসাইন (আ.) আশুরার কিয়ামে মানবজাতিকে স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার ও আত্মত্যাগের শিক্ষা দিয়েছেন। আজ আরবাঈন সেই বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়। লক্ষ লক্ষ যিয়ারতকারীর কারবালায় সমবেত হওয়া ইসলামী উম্মাহর ঐক্যের দৃঢ় প্রতীক।
আলোচনার মাধ্যম ও প্রচারমূলক কার্যক্রম
রাহবার বলেন, “আরবাঈন হলো ধর্ম প্রচার, ধর্মীয় পরিচয় সুদৃঢ়করণ এবং সাংস্কৃতিক বিভ্রান্তি মোকাবিলার এক অনন্য সুযোগ।”
সমাজ ও নৈতিক প্রভাব
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আশুরা ও আরবাঈনের শিক্ষার সঙ্গে সমাজের গভীর সম্পৃক্তি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমস্যাগুলো কমাতে সাহায্য করবে। “ইমাম হুসাইন (আ.) হচ্ছেন হিদায়াতের প্রদীপ, আর আরবাঈন হলো আলোকোজ্জ্বল বেলায়েত ও সত্যপথে ফিরে আসার এক মহামিলন,” তিনি বলেন।
আপনার কমেন্ট